দাঁতের পোকা বের করার গাছ - দাঁতের পোকা বের করার মন্ত্র
সম্মানিত পাঠক আপনি কি দাঁতের পোকা বের করার গাছ ও দাঁতের পোকা বের করার মন্ত্র
সম্পর্কে জানতে গুগলে সার্চ করেছেন? তাহলে আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে
পড়ুন। কেননা এই আর্টিকেলটির মধ্যে দাঁতের পোকা বের করার গাছ ও দাঁতের পোকা বের
করার মন্ত্র সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
আমরা অনেক সময় দাঁতে পোকা হলে প্রচণ্ড ভয়ের মধ্যে থাকি, না জানি দাঁত ভালো
হবে কিনা। তবে এই ভয় না পেয়ে অবশ্যই দাঁতের পোকা ও ব্যথা দূর করার উপায়
সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। আর বেশি যন্ত্রণা বা ব্যথা করলে ডাক্তারের
পরামর্শ নিতে হবে।
পেজ সূচীপত্র
দাঁতের পোকা বের করার গাছ
প্রিয় বন্ধুরা আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হল দাঁতের পোকা বের করার
গাছ সম্পর্কে। আমাদের শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলো দাঁত। মূলত এই দাঁত ব্যবহার করেই আমাদের যে কোন খাবার
গ্রহণ করতে হয়।
তবে কিছু অলসতার কারনে দাঁতে পোকা হয়। দাঁত ছাড়া মানুষ কোন খাবার ভালোভাবে
চিবিয়ে খেতে পারবে না। মানুষের মুখের সৌন্দর্য হলো দাঁত। তবে এই দাঁতের পোকা বা
ব্যথা হয় বিভিন্ন খাবার খাওয়ার ফলে।
অর্থাৎ নিজের অযত্নের কারণে দাঁতে পোকা বা ব্যথা হয়ে থাকে। বিশেষ করে দাঁত
প্রতিদিন ব্রাশ না করার কারণে ভেতরে বিভিন্ন খারাপ ব্যাকটেরিয়া জমা হয় আর এর
ফলে ডেন্টাল ক্যারিজ বা দাঁতের ক্ষয় বৃদ্ধি হয়।
তাই দাঁতের পোকা বের করার জন্য আজকে আমি আপনাদের মহা-ঔষধি একটি গাছ সম্পর্কে
আলোচনা করব। যে গাছটি দাঁতের পোকা বের বা ব্যথা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকারী। সেই
গাছটির নাম হলো আকন্দ গাছ।
যার ইংরেজি নাম হল Giant Milkweed. যদি কারো দাঁতের পোকা বের করতে চান তাহলে
আকন্দ গাছের রস ভালোভাবে পিষে ব্যথাস্থানে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখলে ব্যথা দূর
হওয়ার পাশাপাশি যাদের পোকাও দূর হয়ে যাবে।
দাঁতের পোকা বা ব্যথার দূর করতে আকন্দ গাছ বিশেষভাবে ভূমিকা পালন করে। এই গাছের
পাতার রস এক নিমিষেই প্রচন্ড দাঁতের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এই গ্যাসটি
আপনারা যে কোন বাড়ির আশেপাশে, রাস্তায় পেয়ে যাবেন।
বিশেষ করে আকন্দ গাছটি নদীর চর এলাকায় অনেক বেশি পাওয়া যায়। আশা করি আপনারা এই
গাছটি ব্যবহার করে দাঁতের পোকা বের ও ব্যথা দূর করতে পারবেন।
দাঁতের পোকা বের করার মন্ত্র
প্রিয় বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করব। যে বিষয়টি
আপনাদের প্রত্যেকের জানার গুরুত্বপূর্ণ। আজকের বিষয় ‘দাঁতের পোকা বের করার
মন্ত্র’। আমাদের মধ্যে অনেকেই দাঁতের সমস্যা নিয়ে ভুগছি অর্থাৎ দাঁত নিয়ে খুবই
কষ্টের মধ্যে রয়েছি।
তবে আপনাদের মধ্যে যারা দাঁতের ব্যথা ও পোকা নিয়ে ভুগছেন বিশেষ করে তাদের জন্যই
আজকের এই আর্টিকেল। তাই আশা করি আপনারা সকলেই এই আর্টিকেলের অংশটুকু মনোযোগ
সহকারে পড়বেন।
এমন অনেকে রয়েছে যারা দাঁতের সমস্যা নিয়ে প্রায় সময় ভুগছেন। দাঁতের যন্ত্রণা
ব্যথা এতটা কষ্টদায়ক যার হয় একমাত্র তিনিই বোঝে। অনেকেই এই যন্ত্রণা সহ্য করতে
না পেরে বাধ্য হয়ে দাঁত তুলে ফেলে।
তাই আপনাদের আজকে আমি সঠিক একটি পরামর্শ দিব, যাতে করে আপনারা সকলেই দাঁতের
সমস্যা থেকে রেহাই পান। তাই আপনাদের সুবিধার্থে আজকে আমি দাঁতের পোকা বের করার
মন্ত্র সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তবে তার আগে কি কি নিয়ম পালন করতে হবে সে
বিষয়গুলো জানিয়ে দেবো।
নিয়ম ১ঃ প্রথমে আপনাকে অর্থাৎ যে ব্যক্তির
দাঁতে পোকা ধরেছে সেই ব্যক্তিকে সকালবেলা সূর্য ওঠার আগে বাসিমুখে পূর্ব দিকে মুখ
করে বসতে হবে।
নিয়ম ২ঃ আর যে ব্যক্তি আপনার দাঁত থেকে
পোকা বের করবে সেই ব্যক্তিকে পশ্চিম দিকে মুখ করে রোগীর সামনে বসতে হবে। অর্থাৎ
উভয় পরস্পর মুখ করে বসবেন।
নিয়ম ৩ঃ এরপরে যে ব্যক্তি পোকা বের করবে,
সেই ব্যক্তি সাতবার রোগীর মুখে ফুঁ দিতে হবে। অর্থাৎ প্রত্যেকটা মন্ত্র পড়ার পরে
১ বার করে রোগীর মুখে ফু দিতে হবে। ইনশাআল্লাহ আপনাদের দাঁতের পোকা খুব সহজেই বের
হয়ে যাবে।
এবার আসুন মন্ত্রটি জেনে নিনঃ-
বাংলা উচ্চারণঃ হুসুন হুসুন হুসুন হুসুন,
দুসুন দুসুন, ইয়া নুসুন ইয়া নুসুন, দাখিয়া নুসুন দাখিয়া নুসুন, বিততুরে, বিন
নূরে, বীর রাকিম, বীর রব্বিল আজিম, ফলানার চক্ষু কর্ণ দাঁতের কীর, ঝরে পড়ে-ঝরে
পড়ে-ঝরে পড়ে।
প্রিয় বন্ধুরা এই সেই মন্ত্র যা পড়ে রোগীর মুখে সাতবার ফু দিলে দাঁতের পোকা দূর
হয়ে যায়। এই মন্ত্রটি আপনারা সকলেই ভালোভাবে মুখস্থ করে নিবেন। যাতে করে কোন
জায়গায় যেন কোন একটু ভুল না হয়।
অর্থাৎ ওপরে যেভাবে উচ্চারণ গুলো দেয়া হয়েছে আপনারা সেভাবেই মুখস্ত করে নিবেন।
এই মন্ত্রটি যদি সামান্য পরিমাণে ভুল হয় তাহলে কখনোই দাঁতের পোকা দূর হবে
না।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এই মন্ত্রটি আপনাকে পরপর ৩ দিন পড়তে হবে। ইনশাআল্লাহ
আপনি আল্লাহর রহমতে সঠিকভাবে পড়ে ফু দিলে অবশ্যই ভালো ফলাফল পাবেন।
দাঁতের যন্ত্রণা কমানোর ওষুধ
দাঁতের যন্ত্রণা কমানোর ঔষধ সম্পর্কে যদি আপনার জানা না থাকে তাহলে চিন্তার কোন
কারণ নেই। আমি আপনাদের কোন ওষুধ রাতের যন্ত্রনা দূর করতে সাহায্য করে সেই ওষুধ
সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই আর্টিকেলটি না টেনে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে
করা অনুরোধ রইল।
দাঁতের যন্ত্রণা অত্যন্ত ভয়াবহ একটি সমস্যা। এ সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই
বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করেন। তবে ডাক্তারি চিকিৎসায় দাঁতের যন্ত্রণা দূর করার
জন্য Ketorol-dt ট্যাবলেটটি ব্যাপক সমাধান নিয়ে এসেছে।
যদি আপনাদের দাঁতের যন্ত্রণা হয় তাহলে এই ট্যাবলেটটি ডাক্তারের নিয়ম অনুসারে
সম্পূর্ণ ডোজ খেলে অনেকটাই উপকার পাওয়া যায়।
এই ওষুধটি আপনার শরীরের প্রধা ও এবং দাঁতের ব্যথা কমিয়ে দিতে অনেকটাই সাহায্য
করে। যারা প্রাপ্তবয়স্ক তাদের জন্য দাঁতের ব্যথা বা যন্ত্রণা দূর করার জন্য
প্রতি চার থেকে ছয় ঘন্টা পর পর Keterol-DT ট্যাবলেটটি ব্যবহার করতে হবে।
তবে হ্যাঁ আপনারা সকলেই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এই ওষুধ সেবন করবেন। কারণ
অন্যান্য ওষুধের মত Keterol-DT ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এতে করে
সাধারণত মাথা ঘোরা মাথাব্যথা, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা এই ধরনের সমস্যা
দেখা দিতে পারে।
এছাড়াও এই ওষুধটি দীর্ঘদিন খাওয়ার ফলে আপনার গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে
পারে যেমন লিভারের ক্ষতি বা কিডনির সমস্যা ইত্যাদি। তাই অবশ্যই Keterol-DT
ট্যাবলেট কি খাওয়ার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
দাঁতের পোকা দূর করার ঘরোয়া উপায়
পূর্বে আমরা জেনে এসেছি দাঁতের পোকা বের করার গাছ এবং দাঁতের যন্ত্রণা কমানোর
ওষুধ সম্পর্কে। এখন আমরা জানিয়ে দেবো দাঁতের পোকা দূর করার ঘরোয়া উপায়
সম্পর্কে।
শহরে হোক কিংবা গ্রামে হোক দেশে হোক অথবা বিদেশে ছোট বড় সকলেরই দাঁতের একটি
প্রধান সমস্যা হল ডেন্টাল ক্যারিজ। গ্রাম অঞ্চলের দাঁতের পোকা নামে মানুষের কাছে
পরিচিত। তবে দাঁতের পোকা বলে আসলে কিছুই নেই এটি মূলত এক ধরনের দাঁতের
ক্ষয়।
দাঁতে কোন রকম দৃশ্যমান পোকা থাকে না। এটি মূলত এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া ডেন্টাল
গ্যারিস বা দাঁতের ক্ষয় রোগের জন্য দায়ী। সাধারণত এ ধরনের সমস্যা হওয়ার প্রধান
কারণ হলো মিষ্টি খাবার গ্রহণ করা।
এছাড়াও চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণ করা, চকলেট, চুইংগাম, মিল্ক-ক্যান্ডি ইত্যাদি
খাওয়ার পরে ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার না করা। এতে করে মুখের ভিতরে এক ধরনের এসিড
তৈরি হয় যার ফলে আস্তে আস্তে দাঁতের ওপরে শক্ত একটি আবরণ তৈরি হয় যাকে বলা হয়
এনামেল হয়।
এটি হওয়ার কারণে দাঁতে ছিদ্র বা গর্ত তৈরি হয় আর যেগুলো খাবার গ্রহণ করা হয়
সেগুলো সে গড়তে গিয়ে জমা হয় আর এর ফলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ তৈরি হয়। বিশেষ
করে ছোট শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সকলেই এই দাঁত ব্যথা নিয়ে খুবই কষ্টের মধ্যে
থাকে শিরশির করে।
তাই এ ধরনের দাঁতে পোকা দূর করার ঘরোয়া উপায় নিয়েই আজকে আমি হাজির হয়েছি।
কিভাবে আপনারা খুব সহজেই ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করে দাঁতের পোকা দূর করবেন তা
সঠিকভাবে এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে জানিয়ে দেব। তাই আসুন বিস্তারিত জেনে নিন।
সমাধান
সবার প্রথমে যদি দেখা যায় দাঁতে গর্ত তাহলে আর দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব শূন্য
জায়গাটা ফিলিং করে নেওয়া উচিত। শূন্য জায়গাটা যদি আস্তে আস্তে আরো গভীরে যাই
তাহলে ব্যাথার তীব্রতা অনেক বেশি বেড়ে যাবে এতে করে চিকিৎসার ব্যবস্থাও অনেক
জটিল হয়ে পড়বে।
তাই যত দ্রুত সম্ভব গর্ত তার দেখা দিলে ফিলিং করে নেওয়াটাই উত্তম। এছাড়াও
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে খাবার খাওয়ার পর ব্রাশ করা। অর্থাৎ দিনে
দুইবার দাঁত ব্রাশ করা জরুরী। তাছাড়াও এমন টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে যেটি
এনামেল রিপেয়ার করে।
পাশাপাশি চিনিযুক্ত খাবার পরযুক্ত খাবার কফি আঠালো খাবার এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।
যদি খেয়ে থাকেন তাহলে সাথে সাথে কুলি করে মুখ ধুয়ে নিবেন। শুধু যে ব্রাশ করলে
দাঁতের সমস্যা দূর হবে তা নয় পাশাপাশি সুতা বা ফ্লস দিয়ে দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার
করতে হবে এবং নিয়মিত বছরে এক থেকে দুইবার দাঁত পরীক্ষা করাতে হবে।
উপরে উল্লেখিত সব নিয়মকানুন যদি আপনি সঠিকভাবে মানতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার
দাঁত সুস্থ থাকবে এবং পোকা দূর হবে।
দাঁতের পোকা বের করার দোয়া
আপনার কিংবা আপনার সন্তানের অথবা পাড়াপড়শি যদি কারো দাঁতের পোকা হয় তাহলে এটি
দূর করার জন্য যে আমল ও দোয়া রয়েছে সেটি সম্পর্কে হয়তো অনেকেই জানেন না। আজকের
এই আলোচনায় থাকছে দাঁতের পোকা বের করার দোয়া সম্পর্কে।
- যদি আপনাদের মধ্যে কারো দাঁতে পোকা হয় তাহলে আপনি যে আমলটি করবেন সেটি হল প্রথমে এক গ্লাস পানি নিবেন এবং ১ বার সূরা ফাতিহা ও ১ বার দুরুদ শরীফ পাঠ করে পানিতে ফু দিবেন।
- এরপর যে দোয়াটি পড়বেন সেটি হল “লিকুনি নাবিইম মুস্তাকরু ওমা তাউল ইলাহিম”। এই দোয়াটি তিনবার পড়ুন এবং পানিতে ফু দিন।
- এরপর যে ব্যক্তির দাঁতের পোকা হয়েছে তিনি পানি হাতে নিন এবং তিনবার কুলি করুন।
- তারপর কুলি করা হয়ে গেলে বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম বলে তিন ঢুকে পান করুন।
- এইভাবে যদি ১৫ দিন কেউ আমল করে এবং দোয়াটি পড়ে পানি পান করে তাহলে ইনশাআল্লাহ এই ১৫ দিনের মধ্যেই ভালো ফলাফল পাবে।
দাঁতের পোকা দেখতে কেমন
প্রায় সময় অনেকেই দাঁতের পোকা হয়েছে বলে বলে থাকেন। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের
দিকে প্রায় সকলেই বাচ্চাদের বেশি মিষ্টি খাওয়া দেখলে বলা হয় বেশি খেওনা দাঁতে
পোকা হবে। কিন্তু আসলে দাঁতের পোকা দেখতে কেমন বা সত্যিই দাঁতে পোকা হয় কিনা তা
আপনি কি জানেন?
যদি না জেনে থাকেন তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। আজকের এই আলোচনাই দাঁতের পোকা
দেখতে কেমন বা সত্যি দাঁতে পোকা হয় কিনা তা জানিয়ে দেব। ডাক্তার আশিক
আব্দুল্লাহ বলেন যে দাঁতে কোন পোকা হয় না।
এটি মূলত ডেন্টাল ক্যারিস বা দাঁতের ক্ষয় যেটাকে কালো দাগ হিসেবে চিনে থাকি
সকলেই। তবে অনেক অসাধু ব্যবসায়ীরা রয়েছে যারা কিনা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে
ডাকে মধ্যে থেকে এক ধরনের পোকা বের করে নিয়ে আসে।
এগুলো মূলত কিছু হাতুড়ে লোকজনের দাঁড়ায় সম্ভব। তবে সত্যি এটাই যে দাঁতে কখনোই
পোকা হয় না। যাতে যে সমস্যা হয় সেটাকে দাঁতের ক্ষয় রোগ বলা হয়। আর এর
ফলে দাঁতে গর্ত হয় আর এই গর্তকেই মূলত দাঁতের পোকা বলে অনেক মানুষেরা।
তবে এই দাঁত সুস্থ বা যত্ন রাখার জন্য প্রতিদিন দুবার করে দাঁত ব্রাশ করা জরুরী।
এতে করে দাঁত যত্নে থাকে। তাই আপনাদের মধ্যে যারা জানতে চেয়েছিলেন দাঁতের পোকা
দেখতে কেমন হয় তারা আশা করি এ বিষয়টুকু জেনে বুঝতে পেরেছেন।
দাঁতে পোকা? অকালে ক্ষয়? মেনে চলুন ৪টি সহজ উপায়
যেহেতু দাঁত আমাদের মূল্যবান জিনিস। সেহেতু দাঁতের যত্ন নেওয়া আমাদের অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই দাঁত ব্যবহার করেই আমরা যে কোন খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে
খেতে পারি। তাই প্রতিদিন অন্তত ২ বার দাঁত ব্রাশ করা জরুরী।
তবে এই কথাটা জানার পরেও আমরা অনেকেই প্রতিদিন দুবার করে দাঁত ব্রাশ করি না। আর
এর কারণে অনেকের দাঁত ও মাড়িতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয় ফলে অকালে দাঁতের
ক্ষয় এবং মাড়িতে ব্যথা সহ আরো নানা ধরনের সমস্যা দাঁতে লেগেই থাকে।
তবে ছোট থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সকলকেই প্রতিদিন সকালে এবং রাতে খাবার খাওয়ার পর
দাঁত ব্রাশ করা শেখানো আমাদের উচিত। সুস্থ থাকতে দাঁতের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরী।
তাই আসুন কি কি উপায় অবলম্বন করলে আমাদের দাঁত সুস্থ থাকবে সেই সম্পর্কে
বিস্তারিত জেনে নিন।
- সবার প্রথমে আপনাকে দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে। সেজন্য প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করুন এবং রাতে খাওয়ার পর ব্রাশ করুন। ব্রাশ করার সময় অবশ্যই নরম টুথব্রাশ ব্যবহার করুন। পাশাপাশি যেই টুথপেস্ট সব থেকে দাঁতের জন্য ভালো সেটি ব্যবহার করুন। দাঁত ব্রাশ করার সময় জিব্বা পরিষ্কার করুন। এতে করে আপনার দাঁতের ভিতরে থাকা ব্যাকটেরিয়া সব দূর হয়।
- দাঁত ভালো রাখতে অবশ্যই খাদ্য তালিকায় ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। আর এই খাবারগুলো প্রতিনিয়ত খান এতে করে দাঁতের ক্ষয় রোধে অনেক বেশি সাহায্য করে। পাশাপাশি টাটকা শাকসবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়াও নারকেল তেল বাদাম এভোকাডো ইত্যাদি স্বাস্থ্যকর চর্বি খাদ্য তালিকায় রাখুন এবং খান। এতে করে আপনার দাঁত সুস্থ থাকার পাশাপাশি শরীর সুস্থ থাকবে।
- ভালো রাখতে হলে অবশ্যই আপনাকে মিষ্টি জাতীয় খাবার কে না বলতে হবে। অর্থাৎ মিষ্টি জাতীয় খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই আপনার দাঁতের জন্য ভালো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে মিষ্টি জাতীয় কোন খাবার খাওয়ার ফলে দাঁতের ক্ষয়ের পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায় ফলে দাঁতের ক্ষয় রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। তাই অবশ্যই পরিমাণ কমান।
- দাঁত ব্রাশ করার সময় যে টুথপেস্ট ব্যবহার করছেন সেটি অবশ্যই খেয়াল রাখুন রাসায়নিক উপাদান কম রয়েছে কিনা। বাজারে বিভিন্ন ধরনের টুথপেস্ট ব্যবহার হয় তবে দাঁতের ডাক্তারেরা যে টুথপেস্ট ব্যবহার করার জন্য আপনাকে পরামর্শ দিবে আপনি সেই টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন বেশি করে। এতে করে আপনার দাঁত অনেক সুস্থ থাকবে।
শেষ কথা | দাঁতের পোকা বের করার গাছ
প্রিয় বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন
দাঁতের পোকা বের করার গাছ সম্পর্কে। এছাড়াও জানতে পেরেছেন দাঁতের যন্ত্রণা
কমানোর ওষুধ, দাঁতের পোকা দূর করার ঘরোয়া উপায়, দাঁতের পোকা বের করার দোয়া,
দাঁতের পোকা দেখতে কেমন এবং দাঁতে পোকা? অকালে ক্ষয়? মেনে চলুন ৪টি সহজ উপায়
সম্পর্কে। আশা করি আপনারা যারা আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হয়েছেন তারা অবশ্যই
অন্যদের মাঝেও আর্টিকেলটি শেয়ার করবেন। পাশাপাশি নিয়মিত এই বিষয়গুলো জানার
জন্য ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন। আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকে আমরা এই
পর্যন্তই শেষ করছি। (আল্লাহ হাফেজ)
এখানে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url