বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম
বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, সম্পর্কে অনেকেরই অজানা। এটি ব্যক্তিগত বিকাশ
একাউন্ট খোলার মত সহজ ব্যাপার নয়। এই অ্যাকাউন্টটি খোলার জন্য সবার প্রথমে বিকাশ
অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে এজেন্ট একাউন্ট খুলতে হয়। তবে, আপনি
চাইলে অনলাইনেও আবেদন করতে পারবেন।
আজকের এই আর্টিকেলে বিকাশ এজেন্ট হতে কি কি লাগে, বিকাশ এজেন্ট সিম নেওয়ার
নিয়ম, শর্ত, কমিশন কত ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই আসুন আর্টিকেলটি
মনোযোগ সহকারে পড়ুন।.
বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট কি?
অনেকেই বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট কি এ বিষয়টি জানেন না তাদের সহজভাবে জানিয়ে দেয়ার
জন্যই আজকে আমি এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করছি। বিকাশ এজেন্ট হলো বিকাশের
প্রতিনিধি।
অর্থাৎ বিকাশের হয়ে বিকাশের এজেন্টরা অন্যান্য যে গ্রাহকগুলো রয়েছে তাদেরকে
ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ সহ নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা
দিয়ে থাকে। এই কাজগুলো মূলত বিকাশ এজেন্ট একাউন্টের মাধ্যমেই করা হয়।
আর সেটাকেই বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট বলা হয়। যদি আপনার ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল
বিকাশ একাউন্ট থাকে এবং সেখান থেকে আপনি ক্যাশ আউট কিংবা ক্যাশ ইন করেন তাহলেও
আপনাকে অবশ্যই বিকাশ এজেন্ট একাউন্টের সাহায্য নিতে হবে।
বিকাশের গ্রাউন্ডের জন্য বিকাশ এজেন্টরা যোগসূত্রের মতো কাজ করে। তাহলে আপনি আশা
করি বুঝতে পেরেছেন বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট কি এই সম্পর্কে।
বিকাশ এজেন্ট হতে কি কি লাগে
বিকাশ এজেন্ট হতে গেলে আপনার কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দরকার হবে আজকে আমি সে
বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করব। তাই আসুন আপনি যদি বিকাশ এজেন্ট হতে চান এবং জানতে
চান কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন তাহলে এই অংশটুকু বিস্তারিত পড়ুন।
- বিকাশ এজেন্ট হতে গেলে সবার প্রথমে আপনাকে ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে।
- আপনার যদি কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে থাকে, তাহলে অবশ্যই বৈধ ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। ( আপনি চাইলে এই লাইসেন্স পৌরসভা/কর্পোরেশন/ কিংবা উপজেলা অফিস থেকে তৈরি করে নিতে পারবেন)
- বিকাশ এজেন্ট হওয়ার জন্য যখন আপনি আবেদন করতে যাবেন তখন পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি প্রয়োজন পড়বে।
- পাশাপাশি পোস্টপেইড সিম কার্ড অর্থাৎ যেটার যে কোন বিকাশ একাউন্ট খোলা নেই সেই সিমটি লাগবে। সেটি যেকোনো অপারেটর সিম কার্ড হলে চলবে। তবে হ্যাঁ এটি সম্পূর্ণ নিজের নামে রেজিস্ট্রেশন করা প্রিপেইড সিম-কার্ড হতে হবে।
- আপনি যে বিকাশ এজেন্ট খুলে ব্যবসা করবেন সেটা প্রমাণ করার জন্য আপনার টিন সার্টিফিকেট প্রয়োজন পড়বে। এই সার্টিফিকেট আয়কর অফিস থেকে পেয়ে যাবেন। আবার আপনি চাইলে অনলাইন ওয়েবসাইট থেকেও রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারবেন। যদি আপনি এখান থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে চান, তাহলে https://secure.incometax.gov.bd/Registration/Index এই লিংকে ক্লিক করুন।
- সর্বশেষে আপনাকে একটি দোকানের ঠিকানা দিতে হবে যে দোকানে আপনি বিকাশ এজেন্ট হিসেবে কাজ করবেন। তবে সেই দোকানটি এমন স্থানে হতে হবে যেখানে প্রচুর মানুষ বিকাশে লেনদেন করে বা সম্ভাবনা রয়েছে।
উপরে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে দিতে পারলে অবশ্যই আপনি বিকাশ
এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা করতে পারবেন। তাই বিকাশ এজেন্ট হওয়ার আগে অবশ্যই এই
তথ্যগুলো জেনে তারপর সামনে ধাপ বাড়ানো উচিত।
বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম
অনেকেই বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে জানেন না। যেহেতু জানেন না
সেহেতু চিন্তার কোন কারণ নেই। আজকে আমি আপনাদের বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার দুটি
সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জানিয়ে দেব।
- একটি অফলাইনে অর্থাৎ আপনি সরাসরি আবেদন করার মাধ্যমে বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন। অপরটি অনলাইনের মাধ্যমে।
- আপনার নিকটস্থ যে বিকাশ অফিস রয়েছে সেখানে এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম।
- এরপরে, বিকাশ এজেন্ট হওয়ার জন্য সবার প্রথমে আপনাকে যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে সেগুলো শর্ত অনুযায়ী বিকাশ বিক্রয় প্রতিনিধি বা বিকাশ ড্রিস্টিবিউটর অফিসে যেতে হবে।
- উপরে সবকিছু সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এরপর আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করবে। যদি আপনার কাগজপত্র বিকাশ এজেন্ট দেওয়ার জন্য উপযুক্ত হয় বা মনে হয় তাহলে আপনাকে ট্রেনিং-এ ডাকা হবে।
- এরপরে ট্রেনিং শেষ হয়ে গেলে সেই তারিখ থেকে পরবর্তী ১ মাস অর্থাৎ ৩০ দিনের মধ্যে আপনাকে সিমটি লেনদেন করার জন্য বিকাশ অফিস থেকে সক্রিয় করে দেওয়া হবে।
- ব্যাস, আপনার কাজ সম্পূর্ণ। তারপর থেকে আপনি যে কোন বিকাশ গ্রাহকদের বিকাশ এজেন্টের যে সুযোগ-সুবিধা রয়েছে অর্থাৎ মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ আউট, ক্যাশ ইন, কারেন্ট বিল ইত্যাদি সেবা দিতে পারবেন। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক অনলাইনে বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে।
অনলাইনে বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম
প্রিয় গ্রাহক আপনারা চাইলে ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে বিকাশ এজেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। সেটার জন্য সবার প্রথমে বিকাশ ওয়েবসাইটে থাকা এজেন্ট হওয়ার রেজিস্ট্রেশন ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এইজন্য আপনাকে সরাসরি Apply for Bikash Agent link এ যেতে হবে এবং নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করতে হবে।
যেহেতু আপনারা এজেন্ট ফরমটি ছবিতে দেখতেই পাচ্ছেন, সেহেতু আপনারা খুব সহজেই একটি বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন। তবে যারা এই ফর্মটি দেখেও বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন না, তাঁরা নিম্নের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেনঃ-
ফর্মে যে তথ্যগুলো দেয়া হয়েছে সেগুলোর সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
যিনি বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলবে উনার দোকানের নাম এবং জেলা নির্বাচন করতে হবে।
এরপরে আপনার এলাকা নির্বাচন করতে হবে।
তারপরে, যোগাযোগ করার জন্য আপনার মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল ও অন্যান্য যে তথ্যগুলো
রয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ফর্মটির ওপরের দিকে লাল রঙের
স্টার (*) চিহ্ন দেওয়া রয়েছে। সেগুলো বাধ্যতামূলক পূরণ করতে হবে।
এরপরে আপনার কাছে প্রশ্ন করা হবে আপনার কি জাতীয় পরিচয় পত্র আছে? যদি থাকে
তাহলে অবশ্যই হ্যাঁ দিতে হবে। না থাকলে না। এরপরে আপনার কাছে আরেকটি প্রশ্ন করা
হবে সেটি হল আপনার কি বৈধ ট্রেড লাইসেন্স আছে? যদি থাকে তাহলে অবশ্যই হ্যাঁ, না
থাকলে না।
এরপরে, ‘আমি রোবট নই’ লেখাটির সামনে একটি ফাঁকা ঘর রয়েছে। সেখানে একটি click
করলে টিক চিহ্ন আসবে। তারপর, জমা দিন Button Click করুন। আশা করি অনলাইনে বিকাশ
এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।
বিকাশ এজেন্ট এর সুবিধা
বিকাশ এজেন্ট এর সুযোগ সুবিধা অনেক ধরনের রয়েছে। যদি আপনারা এই সুযোগ-সুবিধাগুলো
জানতে চান তাহলে অবশ্যই নিজের বিষয়গুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
ক্যাশ ইন -- বিকাশ এজেন্ট ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই একটি বিকাশ পার্সোনাল বা
ব্যক্তিগত একাউন্ট গুলোতে ক্যাশ ইন করে দেওয়া সম্ভব। সাধারণ যে কাস্টমারগুলো
রয়েছে সেগুলো অবশ্যই আপনার কাছে এই সার্ভিসটি নিতে আসবে।
তবে একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন বিকাশ এজেন্ট হলে একাউন্টে যথেষ্ট পরিমাণে টাকা
রাখবেন এতে করে কাস্টমার সন্তুষ্ট হয়। যদি না রাখেন তাহলে সেই কাস্টমার ফিরে
যায় পরবর্তীতে আসার জন্য আগ্রহ করে না।
ক্যাশ আউট -- বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট দিয়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় যে ব্যবসা সেটি হলো
ক্যাশ আউট অর্থাৎ কার্যকারী লেনদেন। শুধু বাংলাদেশে নয় সারা পৃথিবীতে যে সকল
সাধারণ কাস্টমার গুলো রয়েছে তারা ক্যাশ আউট সার্ভিসটি নিয়ে থাকে।
আর বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ীদের মূল টার্গেট হলো ক্যাশ আউট অর্থাৎ লেনদেন ব্যবসা
করে টাকা ইনকাম করা। তবে হ্যাঁ এজেন্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই একাউন্টে প্রচুর টাকা
রাখতে হবে। যাতে করে কোন কাস্টমার ফিরে না যায়। এতে করে আপনি অনেক কমিশন পাবেন
এবং প্রচুর গ্রাহক পাবেন।
মোবাইল রিচার্জ -- এরপর চলে আসুন মোবাইল রিচার্জ। মোবাইল রিচার্জ প্রত্যেকটা
মানুষ করে। তাই যদি আপনি একটি বিকাশ এজেন্ট দোকান নিকটস্থ বাজারে খুলে বসে থাকেন
সেখানে আপনি অন্য গ্রাহকদের মোবাইল রিচার্জ করে দিতে পারবেন। আর এর বিনিময়ে
বিকাশের কাছ থেকে ভালো একটি কমিশন পাবেন।
বিল পে -- গ্রাম অঞ্চলে কিংবা শহরে যতগুলো ঘরবাড়ি রয়েছে প্রায়ই ৯৯% মানুষের
বাসায় কারেন্ট রয়েছে। তবে এই কারেন্ট বিল পে করার জন্য অনেকেই বিকাশ এজেন্ট
দোকানে যাই। তাই যদি আপনি একটি বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলে ব্যবহার করতে পারেন,
তাহলে আপনি সেই একাউন্ট থেকে সাধারণ কাস্টমারের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন
আর এর মাধ্যমে আপনি ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
বিকাশ এজেন্ট কমিশন কত
আপনাদের মধ্যে যারা বিকাশ এজেন্ট কমিশন কত টাকা এ বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চান
তারা অবশ্যই এই আর্টিকেলের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে আপনারা সকলেই জেনে
যাবেন বিকাশ এজেন্ট কমিশন কত টাকা।
সাধারণত বিকাশ এজেন্ট কমিশন দুটি জিনিসের উপর নির্ভর করে। ১) বিকাশ USSD কোড
ডায়াল করে লেনদেন, ২) বিকাশ এজেন্ট অ্যাপ থেকে লেনদেন।
- যদি আপনি বিকাশ এজেন্ট অ্যাপ থেকে লেনদেন করেন, তাহলে প্রতি হাজারে ৪.৩০ টাকা কমিশন পাবেন।
- অপরদিকে যদি আপনি USSD Code ব্যবহার করে লেনদেন করেন, তাহলে প্রতি হাজারে ৪.১০ টাকা কমিশন পাবেন। আশা করি বিষয়টি সঠিকভাবে জানতে এবং বুঝতে পেরেছেন।
বিকাশ এজেন্ট হতে কত টাকা লাগে
যারা বিকাশ এজেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে চান তাদের একটি সাধারণ প্রশ্ন থাকে সেটি হল
বিকাশ এজেন্ট হতে কত টাকা লাগে? প্রিয় বন্ধুরা বিকাশ এজেন্ট হতে কত টাকা লাগতে
পারে তা নির্দিষ্ট করে বলা কখনোই সম্ভব নয়।
তার কারণ হলো এই বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলতে কোনোরকম ফি নেওয়া হয় না। তাই যারা
ইচ্ছুক বিকাশ এজেন্ট হতে পারবেন।
সাধারণত আপনি যদি জেলা শহর বা টাউনে বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলে ব্যবসা করতে চান
সেক্ষেত্রে এজেন্ট একাউন্টে শুরুতেই ১ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকা সব সময়
ব্যালেন্সে রাখতে হবে।
আর যদি আপনি গ্রামাঞ্চলের দিকে বিকাশ এজেন্ট দোকান খুলে ব্যবসা করতে চান তাহলে ২৫
থেকে ৫০০০০ টাকা এজেন্ট একাউন্টে রেখে কাজ শুরু করতে পারবেন।
তবে, আপনি যদি কিছুদিন সঠিকভাবে নগদ লেনদেন করতে পারেন তাহলে আর কোন চিন্তা কারণ
নেই। আস্তে আস্তে আপনি আরো অনেক বেশি টাকা এজেন্ট একাউন্টে রাখতে পারবেন।
বিকাশ এজেন্ট সিম নেওয়ার নিয়ম
বিকাশ এজেন্ট সিম নিতে হলে আপনাকে সবার প্রথমে যে কাজটি করতে হবে সেটি হল উপরে
উল্লেখিত যে সকল ধাপগুলো দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ অনুসরণ করতে হবে। আর হ্যাঁ
ঠিকানা দেওয়ার জায়গায় অবশ্যই সঠিক ঠিকানা দিবেন।
আর ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার জায়গাতেও কখনো ভুল করা যাবে না। যদি আপনার সকল
তথ্যগুলো সঠিকভাবে পূরণ করা হয় তাহলে বিকাশ এজেন্ট অ্যাকাউন্ট আপনার তথ্যগুলো
সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করবে। এরপর সঠিক থাকলে বিকাশের পক্ষ থেকে আপনার সাথে
যোগাযোগ করা হবে।
এরপর পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানিয়ে দেয়া হবে। যদি আপনি তাদের ধাপগুলো
অনুসরণ করে চলতে পারেন তাহলে আপনি খুব সহজে নিতে পারবেন। আশা করি বিকাশ এজেন্ট
সিম নেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।
বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট পাওয়ার শর্ত
বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট পাওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে যেগুলো আপনাকে সঠিক ভাবে
মেনে চললে দ্রুত bkash এজেন্ট অ্যাকাউন্ট পেয়ে যাবেন। শর্ত হলো- প্রতিদিন
সর্বনিম্ন ২ হাজার টাকা করে লেনদেন করতে হবে। এছাড়াও আপনার বিকাশ এজেন্ট
একাউন্টে সবসময় ৭ হাজার টাকার থেকেও বেশি ব্যালেন্স রাখতে হবে।
বিকাশ এজেন্ট লিমিট
অনেক বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা একটি বিষয় সম্পর্কে অজানা থাকে সেটি হল বিকাশ
লেনদেনের লিমিট। তাই যারা নতুন বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলে শহরে অথবা গ্রামে
ব্যবসা করতে চান তাদের অবশ্যই এই বিষয়টি জানা অত্যন্ত জরুরী। তাই আপনাদের
সুবিধার্থে আমি নিচে ছবি দিয়ে দিয়েছি আপনারা সেখান থেকে খুব সহজে জেনে নিন।
শেষ কথা | বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম
সম্মানিত পাঠক আশা করি আপনারা সকলেই বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে
সঠিকভাবে জেনে গেছেন। বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলে আপনি খুব কম পুজিতে অনেক বেশি
লাভবান হতে পারবেন। তবে হ্যাঁ বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য যে সকল তথ্যগুলো
প্রয়োজন তা অবশ্যই জানতে হবে। ঠিক সে কারণেই বিকাশ এজেন্ট সিম নেওয়ার নিয়ম সহ
আরো যাবতীয় তথ্য আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আপনি অনেক উপকৃত হয়েছেন। যদি আপনি
এরকম আরো তথ্য পেতে চান তাহলে অবশ্যই
https://www.emamdigitalbd.com/
ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন।
এখানে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url